মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডিত ৭ জনের রায়ের দিনে ঢাবিতে ককটেল বিস্ফোরণে শিবিরের প্রতিবাদ
নিউজ ডেস্ক জলকদর নিউজ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ককটেল বিস্ফোরণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের চরম নিরাপত্তা ব্যর্থতার অভিযোগ এনে ‘তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ’ বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) ঢাবি শাখার প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফের সাক্ষরিত বিবৃতিতে তারা বলেন,
১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ দ্বারা ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও ডাকসু এজিএস মুহা. মহিউদ্দিন খান এবং সেক্রেটারি কাজী আশিক এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, রায়ের দিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ককটেল বিস্ফোরণ বর্তমান বিএনপিপন্থী প্রশাসন, ভিসি ও প্রক্টর কর্তৃক ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ব্যর্থতা এবং তাদের দায়িত্বহীনতা ও প্রশাসনিক অদক্ষতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, অনলাইনে ছাত্রলীগের সক্রিয় অবস্থান এবং ক্যাম্পাসে তাদের গোপন নেটওয়ার্কের বিষয়ে এর আগেও প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তা সত্ত্বেও প্রশাসন কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এই রহস্যজনক নীরবতা ও নিরাপত্তা ঘাটতির কারণেই নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণের মতো দুঃসাহস দেখাতে পেরেছে। ছাত্রলীগের চোরাগোপ্তা ককটেল ঠেকাতে না পারা প্রশাসন সম্ভবত ছাত্রলীগ ছাড়া বাকি সবাইকে ‘কঠোরভাবে প্রতিহত’ করতে বদ্ধপরিকর।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ফ্যাসিবাদী অপশক্তির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের পরিবর্তে বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক কণ্ঠস্বর ডাকসুকে প্রতিপক্ষ হিসেবে উপস্থাপনে ব্যস্ত। অথচ ফ্যাসিবাদী শিক্ষক-কর্মকর্তাদের পুনর্বাসন, ছাত্রদলের অভ্যন্তরে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের পুনর্বাসন এবং দিল্লীপন্থী মুজিববাদী বামদের মব-সন্ত্রাসকে বৈধতা দেয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা, আবাসন ও অধিকার নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর ভূমিকা কোথায় আজ সেই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অবিলম্বে ককটেল বিস্ফোরণের সঙ্গে জড়িতদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগের গো


