বিশেষ (স্থানীয়) সংবাদদাতা : জলকদর নিউজ
বুধবার ১৬ সেপ্টেম্বর আনুমানিক সন্ধ্যা ৬ : ৩০ বাঁশখালী থানার এসআই (নিঃ) মো. আবুল খায়েরের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্স উপজেলার গণ্ডামারা ইউনিয়নে অভিযান পরিচালনা করে পশ্চিম চাম্বল বাংলাবাজার ব্রীজ সংলগ্ন (নিচে) বেড়ার দোকান থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন বাঁশখালী গণ্ডামারা ইউনিয়নের পূর্ব বড়ঘোনা ৮ নং ওয়ার্ডের মিজান আলী বাড়ীর মু. ইসমাইলের ছেলে যুবলীগ কর্মী মোহাম্মদ সাইমন, জসিম উদ্দিনের ছেলে ছাত্রলীগ কর্মী মোহাম্মদ রাসেল (২৮), নুর আহমদের ছেলে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন (২৫) ছবি পাওয়া যায়নি।
পুলিশের প্রেস রিলিজ সূত্রে জানা যায়,
মহিউদ্দিনকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড এবং মো. রাসেলকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় পৃথক মোবাইল কোর্ট মামলায় (মামলা নং ১৭৩/২৬ থেকে ১৭৬/২৬) তাদের এ সাজা দেওয়া হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত ৩ জনকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে গ্রেফতারকৃত ৩ জনকে ছেড়ে দিতে ও সাজা কমিয়ে আনতে থানায় তদবির করার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে।
অভিযোগের বিষয়ে জলকদর প্রতিনিধি গণ্ডামারা ইউনিয়ন বিএনপির এক নেতার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ঘটনার সময় এলাকায় ছিলাম না, কাজের ব্যস্ততায় বাইরে ছিলাম। তিনি আরও বলেন আমি অভিযোগ করছি কিনা থানা থেকে জিজ্ঞেস করেন।

স্থানীয় বিএনপির আরেক নেতা বলেন, আমি ঘটনার কিছুই জানিনা, আমি ঐদিন অন্য একটা কাজে থানা ছিলাম ঠিকই কিন্তু আসামীর ব্যপারে সুপারিশ কিংবা তদবির কিছুই করিনি।
তবে এই নিয়ে বাঁশখালী থানায় বার বার ফোন দিয়েও এখনো পুলিশের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


