শিব্বির আহমদ রানা: বাঁশখালী
প্রেমবাজার থেকে একটু উত্তরে গেলেই চোখে পড়ে অদ্ভুত এক দৃশ্য। খোদ প্রধান সড়কের ওপরই সারি করে বাস পার্কিং করে রাখা হয়। অথচ সড়কটির এমনিতেই প্রস্থ কম–একটি বাসের সঙ্গে আরেকটি বাস কিংবা অন্য কোনো যানবাহনের নিরাপদে ক্রস করাই কঠিন। সেখানে নিয়মিত বাস দাঁড় করিয়ে রাখা নিঃসন্দেহে জননিরাপত্তার জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি।
কিছু অসচেতন ও অসাধু চালকের কাছে যেন প্রধান সড়কটিই হয়ে উঠেছে বাসস্টেশন। বাঁশখালী প্রধান সড়কের আরও কয়েকটি পয়েন্টেও একই চিত্র দেখা যায়। যাত্রী ওঠানামা কিংবা সাময়িক বিরতির অজুহাতে সড়কের ওপর বাস রেখে চালকরা চলে যান; আর ভোগান্তি ও ঝুঁকি পোহাতে হয় সাধারণ যাত্রী ও পথচারীদের।
গতকাল সন্ধ্যাতেও ওই এলাকায় একটি দুর্ঘটনার ঘটনা ঘটেছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক–ব্যস্ত ও সংকীর্ণ প্রধান সড়কের পাশে এভাবে বাস রেখে দেওয়া কতটা যুক্তিসংগত?
একটি বাস সড়কের একাংশ দখল করে রাখার অর্থ শুধু যানজট সৃষ্টি করা নয়; এটি বিপরীত দিক থেকে আসা যানবাহনের চলাচল বাধাগ্রস্ত করে এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস কিংবা অন্য জরুরি যানবাহনের চলাচলও বাধাগ্রস্ত হতে পারে।
বাঁশখালীর প্রধান সড়ককে কোনোভাবেই বাসের স্থায়ী পার্কিং স্পটে পরিণত হতে দেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে নিয়মিত নজরদারি বাড়ানো এবং সড়কে বাস রেখে পার্কিং করার প্রবণতা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া।
সড়ক মানুষের চলাচলের জন্য–বাস রাখার জন্য নয়। কাণ্ডজ্ঞানহীন এই প্রবণতার লাগাম এখনই টানা জরুরি।


