Date: Aug 17, 2026
সিলেটের পর্যটন স্বর্গ হিসেবে পরিচিত জাফলং এখন চোরাচালান আর চাঁদাবাজির এক বিষাক্ত জনপদে পরিণত হয়েছে। পাহাড় আর পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ পানি দেখতে আসা পর্যটকদের চোখের সামনেই প্রকাশ্যে চলছে ভারতীয় পণ্যের অবৈধ কেনাবেচা। স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুল মান্নান ওরফে মান্নান মেম্বার এবং তাঁর ছোট ভাই লোকমানের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এক শক্তিশালী সিন্ডিকেট বিজিবি ক্যাম্পের নাগালেই চালাচ্ছে এই বিশাল অবৈধ কারবার। প্রশাসনের বিভিন্ন ইউনিটের ‘লাইনম্যান’ পরিচয়ে এই দুই ভাই পুরো সীমান্ত এলাকাকে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিজেদের ‘পকেট সাম্রাজ্যে’ পরিণত করেছেন।

সরেজমিনে জাফলং জিরো পয়েন্ট এলাকায় গিয়ে দেখা যায় এক বিস্ময়কর চিত্র। পর্যটকরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের চেয়ে ভারতীয় কম্বল কেনায় বেশি ব্যস্ত। বিজিবি ক্যাম্পের সন্নিকটে এমন প্রকাশ্য অবৈধ হাট দেখে খোদ পর্যটকরাও হতবাক।
জৈন্তাপুরে প্রকাশ্যে একাধিক মামলার আসামি আ’লীগ নেতা জালালবারকী শ্রমিক থেকে সীমান্তের শীর্ষ চোরাকারবারী শ্যাম কালা! ঢাকা থেকে আসা পর্যটক আহসান হাবিব আক্ষেপ করে বলেন, ‘আমি পরিবার নিয়ে জাফলংয়ের সৌন্দর্য দেখতে এসেছিলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখছি বিজিবি ক্যাম্পের পাশেই ভারতীয় কম্বলের হাট বসেছে। হকাররা যেভাবে সাধারণ পণ্য বিক্রি করে, এখানে ভারতীয় চোরাই পণ্য সেভাবেই বিক্রি হচ্ছে। জাফলং কি পর্যটন কেন্দ্র নাকি চোরাচালানের বাজার, তা বোঝা দায়। প্রশাসনের চোখের সামনে এসব কীভাবে সম্ভব, তা ভেবে আমি অবাক হচ্ছি।’

আরেক পর্যটক সুমি আক্তার জানান, ‘পর্যটকরা কোনো রাখঢাক ছাড়াই ৫-১০টি করে কম্বল কিনে গাড়িতে তুলছেন। দোকানদাররা ওপেনলি বলছে এগুলো বর্ডার দিয়ে আনা। এটা তো দেশের অর্থনীতির জন্য চরম ক্ষতিকর।’
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জাফলং সীমান্তের প্রায় ২৫টি পয়েন


