স্থানীয় প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের রামু মডেল মসজিদের ভেতরে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, পুলিশের নজরের মধ্যেই এসব কার্যক্রম চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

অভিযোগ রয়েছে, এসব কার্যক্রমে স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি অর্থসহায়তা দিয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে সাবেক রামু উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাদ্দাম, নিষিদ্ধ সেচ্ছাসেবক লীগের নেতা আজিজ ও তপন মল্লিক সহ আরও অনেকের নাম স্থানীয়ভাবে আলোচিত হচ্ছে।
এ ছাড়া বিদেশ থেকে অর্থায়নের অভিযোগও উঠেছে। এ ক্ষেত্রে সাবেক রামু উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্র লীগের আহ্বায়ক তসলিম উদ্দিন সোহেল এবং পূর্ব রাজারকুলের আওয়ামী লীগের নেতা লিয়াকত আলীর ভাই মালয়েশিয়া প্রবাসী আক্তার কামাল লিটনের সহ অনেকের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, এসব অর্থ সাবেক জেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সভাপতি এস এম সাদ্দামের মাধ্যমে রাজারকুল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার মাসুক, শিকলঘাটের ফাওয়াজ ও লাভু এবং পূর্ব রাজারকুলের অভি, হামিদ ও মফিজ চেয়ারম্যানের ভাইপো মির নিহাদের কাছে পৌঁছানো হয়। তাদের বিরুদ্ধে সভা আয়োজন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের প্রচারের অভিযোগও রয়েছে।

এ ছাড়া কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নিয়মিত ওঠাবসার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
দাবি উঠেছে,রামু মডেল মসজিদের মতো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ভেতরে কোনো রাজনৈতিক বা নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সত্যিই চলছে তা ভিডিও সহ সংবাদমাধ্যম প্রকাশিত হয়েছে।


