নিজস্ব ডেস্ক
চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিষ্কার করা হয় ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নোমানুল হক নোমানকে। তবে সেই আদেশ প্রত্যাহার করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একইসঙ্গে তাকে নিজ পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।

ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নোমানুল হক নোমান/ছবি-জাগো ন
চাঁদা দাবির অভিযোগে বহিষ্কার করা হয় ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নোমানুল হক নোমানকে। তবে সেই আদেশ প্রত্যাহার করেছে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদ। একইসঙ্গে তাকে নিজ পদে পুনর্বহাল করা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাউদ্দিন মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছেন
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মার্চ মাসে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নে মাটি পরিবহনকে কেন্দ্র করে নোমানুল হক নোমানের সঙ্গে রামপুর নাসির মেমোরিয়াল কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার তাহাদ ইফতুর একটি ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। চার মিনিটের ওই ফোনালাপে ইলাশপুর সড়ক দিয়ে সাত দিন মাটি পরিবহনের বিনিময়ে ১৬ হাজার টাকা দাবি করার অভিযোগ ওঠে নোমানের বিরুদ্ধে। টাকা না দিলে গাড়ি চলাচলে বাধা দেওয়ার ইঙ্গিতও ছিল ফোনালাপে।
ফোনালাপটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২৪ মার্চ সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নোমানকে ফেনী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদ থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান ভূঁইয়াকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এ বিষয়ে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি সালাহ উদ্দিন মামুন বলেন, কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের চিঠি পাওয়া গেছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে।


