আজ ২০ আগস্ট বিশ্বব্যাপী বিশ্ব মশা দিবস পালিত হচ্ছে। ১৮৯৭ সালে স্যার রোনাল্ড রস ম্যালেরিয়ার সংক্রমণে মশার ভূমিকা প্রমাণ করেন—এই দিনটিকে স্মরণ করে দিবসটি পালন করা হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে ব্যক্তি ও সামাজিক উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

দিবসটির মূল লক্ষ্য হলো মশাবাহিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া, চিকুনগুনিয়া, জিকা ও ফাইলেরিয়াসিসের মতো রোগ প্রতিরোধে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করা। বাংলাদেশে বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব সাধারণত বৃদ্ধি পায়। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, প্রতিটি নাগরিকের সচেতন অংশগ্রহণও অত্যন্ত জরুরি। বাসা বাড়ি, ছাদ, আঙিনা, ফুলের টব, পরিত্যক্ত টায়ার বা যেকোনো পাত্রে তিন দিনের বেশি পানি জমে থাকতে না দেওয়া, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখা এবং মশারি ও মশা প্রতিরোধী ব্যবস্থা ব্যবহার করলে মশাবাহিত রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
বিশ্ব মশা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সংস্থা ও সামাজিক সংগঠন সচেতনতামূলক কর্মসূচি, আলোচনা সভা এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করছে।
সচেতনতামূলক বার্তা:
“পরিষ্কার পরিবেশ গড়ি, মশার বংশবিস্তার রোধ করি—ডেঙ্গুমুক্ত বাংলাদেশ গড়ি।”


